শুক্রবার, ৩১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

শুভ জন্মদিন কথার জাদুকর

কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদের ৭৩তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন ভক্ত অনুরাগী এবং পরিবারের সদস্যরা। শনিবার (১৩ নভেম্বর) সকাল থেকেই নুহাশ পল্লীতে আসতে থাকেন হাজারো মানুষ। নিবেদন করেন শ্রদ্ধার্ঘ্য।

এ সময় তারা বলেন, বাংলা সাহিত্য আকাশে হুমায়ূন উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়েই থাকবেন পাঠকদের অন্তরে। আজও চাঁদনী পসর রাতে খালি পায়ে রাস্তায় হাঁটেন অনেকে।

জাদুকর তিনি। মানুষের মনের অলিন্দে গভীরভাবে নাড়া দিয়ে গেছেন। জীবন ও জগৎকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে দিয়ে, বাঙালি মন ও মননে রেখে গেছেন দীর্ঘ ছায়া। তাই যখন সমাগত এই অতি আপনের জন্মদিন। তখন নুহাশ পল্লীতে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার অর্ঘ্য নিয়ে পাঠক, ভক্ত অনুরাগী। ব্যক্ত কিংবা অব্যক্ত কথায় হুমায়ূনকে পাওয়া গেল যেন গভীর শূন্যতায়।

হলুদ পাঞ্জাবি পরে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন হুমায়ূন ভক্তরা। নুহাশ পল্লীতে আসা এক ভক্ত বলেন, আজকে এখানে এসে ভালো লাগছে এমনটা কিন্তু না। স্যার নেই, স্যারের স্মৃতিগুলো মনে পড়ছে। স্যার থাকলে হয়তো ভালো হতো।

অবারিত প্রকৃতি ছিল যার আনন্দ-বিষাদের পাঠশালা। বৃষ্টি নিয়ে ছিল তার ভীষণ আবেগ, তার এই থাকা না থাকার দিনে তাই বৃষ্টিও ঝরল।

হুমায়ূন আহমেদ তার শৈলীতে ভক্তদের মুগ্ধ করে রেখেছেন অনেককাল। তিনি ভক্তদের মাঝে আছেন, তাইতো বিশ্বলোকে এখনো তার জন্মদিন উদযাপিত হয় আনন্দ-বিষাদে ফুলেল সমারোহে। নুহাশ পল্লীতে ছিলেন, হুমায়ূনের পরিবারের সদস্যরাও।

অনন্তলোকে ৭৩, একটা সংখ্যা মাত্র। তিনি না থেকেও আছেন প্রবলভাবেই। ছোট থেকে বড় সব বয়সের বাঙালি পাঠকের কাছে হুমায়ূন আহমেদ এক ভালোবাসার নাম। তার চলে যাওয়ার দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাটা পড়েনি, আজকের নুহাশ পল্লী তারই প্রমাণ। মিসির আলি, হিমুর স্রষ্টা হুমায়ূন আহমেদ থেকে যাবেন যুগ থেকে যুগান্তরে।

চিত্রজগত/জন্মদিন

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়