সোমবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

৩০০ সংসদীয় আসনে ৩০০ সিনেপ্লেক্স নির্মাণের দাবী

বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম হচ্ছে চলচ্চিত্র। আমাদের দেশেও চলচ্চিত্রের প্রসার ঘটেছিল সেই ঘাটের দশকে পূর্ব পাকিস্তান সময়ে ঢাকায় চলচ্চিত্র নির্মানের জন্য ষ্টুডিও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বর্তমান এই এফডিসির ১নং ফ্লোরে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক সরকারের মাধ্যমে ঢাকায় জাতীয় ভাবে চলচ্চিত্র নির্মানের জন্যে এই এফডিসি নির্মান করেছিলেন।

১৯৫৭ সালের ৩রা এপ্রিল, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই ষাটের দশক থকে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি এফডিসি খুব ভালো ভাবে চলছিলো। চলচ্চিত্র তৈরীর কারখানা এফসিডি’র বর্তমানে খুব নাজুক অবস্থা। চলচ্চিত্র তৈরী হচ্ছেনা, সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, সিনেমা হল ভেঙ্গে ফেলে মার্কেট করা হচ্ছে। দেশে প্রায় ১২—১৩ শত সিনেমাহল ছিলো, সেই সংখ্যা বর্তমানে ১০০ তে নেমে এসেছে।

সিনেমা প্রেমী, দর্শকদের জন্য একটি দুঃখ জনক ঘটনা। চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত প্রযোজক, পরিবেশক, পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, সম্পাদক, কাহিনীকার, সুরকার, গীতিকার, শিল্পী ও কলা কুশলীদের কাছে হতাশার নাম ‘এফডিসি’। আজ থেকে দশ বছর আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্রকে ‘শিল্প’ ঘোষনা করলেও সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকরী করা হয়নি।

চলচ্চিত্রে শিল্পের সঙ্গে জড়িত অনেকের অনিচ্ছা ও সরকারের নজরদারী না থাকার কারনে তা কার্যকর হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষ জনের জীবনও স্থবির, আয় ইনকাম ও বন্ধ। চলচ্চিত্র শিল্প বাচঁলে চলচ্চিত্র বাচঁবে। চলচ্চিত্রের মানুষ জন বাচঁবে।

চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক হাবিবুল ইসলাম হাবিব দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ৩০০ সিনেপ্লেক্স বাস্তবায়ন করার জন্য সরকারের কাছে দাবী জানিয়ে আসছেন। দাবী তোলার পর প্রায় ৩ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তার সিদ্ধান্তে রূপ রেখা পরিলক্ষিত হয়নি।

গত ২ এপ্রিল বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে মিডিয়া সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভার আয়োজন করেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অসিম কুমার উকিল, এমপি। এই সভায় মঞ্চে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন পরিচালক গাজী মাহবুব, কবি ও সাংস্কৃতিককর্মী রাসিদা মুন, পরিচালক অনিমেষ আইচ, শিল্পী মেহেরিন, শর্ট ফিল্ম ফোরামের সভাপতি রাকিবুল হাসান, পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন লিটন, পরিচালক কাজী হায়াত, পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, পরিচালক সমিতির সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, নায়ক ও প্রযোজক—ডি এ তায়েব, প্রর্দশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক—কাজী সোয়েব রশীদ, পরিচালক সাইদুর রহমান সাইদ, প্রদর্শক সুদীপ্ত কুমার দাস, ও অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন নায়ক সায়মন সাদিক।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আসিম কুমার উকিল এমপি তিনি বলেন— ‘আমি ছাড়া সবাই চলচ্চিত্রের লোক। বক্তব্য শুনে আমি সমৃদ্ধ হয়েছি। আগামীতে আমার কাজ করতে সুবিধা হবে। আপনাদের যে দাবী তার সাথে আমি সহমত পোষণ করছি। আমি পার্লামেন্টে আপনাদের দাবী নিয়ে স্বোচ্ছার হবো, তথ্য মন্ত্রী ও সংস্কৃতি মন্ত্রীর সাথে কথা বলবো। এই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনের জন্য হাবিবকে ধন্যবাদ।’ ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু।

চিত্রজগত/ঢালিউড

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়