মঙ্গলবার, ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী মহানায়িকা

সুচিত্রা সেনের ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের ৯১তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনার গোপালপুরে হেমসাগর লেনে মহানায়িকার জন্ম।

মহানায়িকার জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের বহু তারকা থেকে সাধারণ মানুষ স্মরণ করছেন বাঙালির হৃদয়ে চিরসবুজ ইমেজ নিয়ে ঠাঁই নেয়া সুচিত্রা।

হেডমাস্টার বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত আর মা ইন্দিরা দেবীর পঞ্চম সন্তান তিনি। স্বপ্নের নায়িকা সুচিত্রার আসল নাম রমা দাশগুপ্ত। বাবা ডাকতেন ‘কৃষ্ণা’ নামে।
পড়াশুনা করেছেন পাবনারই দু’টো স্কুলে। সাংস্কৃতিক আবহেই বেড়ে ওঠেছেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই সিনেমার প্রতি তীব্র আকর্ষণ ছিল তার।

ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিজেকে লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখার পর ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে পরলোকগমন করেন এই মহানায়িকা।

সুচিত্রা সেন অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলি হলো:
১৯৫২- শেষ কোথায়, ১৯৫৩- সাত নম্বর কয়েদী, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য, সাড়ে চুয়াত্তর, কাজরী, ১৯৫৪- সদানন্দের মেলা, অগ্নিপরীক্ষা, ওরা থাকে ওধারে, গৃহপ্রবেশ, অ্যাটম বম্ব, ধূলি, মরণের পারে, অন্নপূর্ণার মন্দির, দেবদাস (হিন্দি), ১৯৫৫- সাঁঝের প্রদীপ, মেজো বউ, ভালোবাসা, ১৯৫৬- সাগরিকা, ত্রিযামা, আমার বউ, শিল্পী, একটি রাত, শুভরাত্রি, ১৯৫৭- হারানো সুর, পথে হল দেরি, জীবনতৃষ্ণা, চন্দ্রনাথ, মুসাফির (হিন্দি), চম্পাকলি (হিন্দি), ১৯৫৮- রাজলক্ষ্মী ও শ্রীকান্ত, সূর্যতোরণ, ইন্দ্রাণী, ১৯৫৯- দীপ জ্বেলে যাই, চাওয়া পাওয়া, ১৯৬০- হসপিটাল, স্মৃতিটুকু থাক, বোম্বাই কা বাবু (হিন্দি), সরহদ (হিন্দি), ১৯৬১- সপ্তপদী, সাথীহারা, ১৯৬২- বিপাশা, ১৯৬৩- সাতপাকে বাঁধা, উত্তরফাল্গুনী, ১৯৬৪- সন্ধ্যাদীপের শিখা, ১৯৬৬- মমতা (হিন্দি), ১৯৬৭- গৃহদাহ, ১৯৬৯- কমললতা, ১৯৭০- মেঘ কালো, ১৯৭১- ফরিয়াদ, নবরাগ, ১৯৭২- আলো আমার আলো, হার মানা হার, ১৯৭৪- শ্রাবণসন্ধ্যা, দেবী চৌধুরানি, ১৯৭৫- প্রিয় বান্ধবী, আঁধি (হিন্দি), ১৯৭৬- দত্তা, ১৯৭৮- প্রণয়পাশা।

শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির প্রতিটি ক্ষেত্রে সময়কে জয় করার জন্য প্রতিটি দশকে থাকে সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকা শিল্পী। তার প্রতিভা আর মেধা দিয়ে তিনি অন্যদের থেকে এগিয়ে যান, সমকালিন সময়কে উতরে তিনি পৌঁছে যান অদূর ভবিষ্যতের কোনো জৌলুসময় গন্তেব্যে। তিনিই মহৎ শিল্পী। তারপর হয়তো সময়ই তাকে মহা নায়িকা, মহা শিল্পী, কিংবদন্তী ইত্যাদি নামে অবিহিত করে।

বাংলার মহানায়িকা খ্যাত সুচিত্রা সেনও তেমনি একজন। নিজের সৃজনক্ষমতায় অভিনয় দিয়ে তিনি শুধু তার সমকালিন সময়ের গণ্ডিই অতিক্রম করেননি, বরং পৌঁছে গেছেন আরো দূর। বহুদূরের পথে। যে পথ সত্যি সত্যিই শেষ হওয়ার নয়…!

চিত্রজগত/চলচ্চিত্র

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়