বৃহস্পতিবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

সাড়া ফেলেছে হ্যারি অ্যান্ড মেগান

নেটফ্লিক্সের নতুন ডকুমেন্টারি হ্যারি অ্যান্ড মেগান -- চিত্রজগত.কম

বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছে নেটফ্লিক্সের নতুন ডকুমেন্টারি হ্যারি অ্যান্ড মেগান । ছয় পর্বের এই ওয়েব সিরিজে উঠে এসেছে রাজপরিবার ও বাকিংহাম প্যালেসের অনেক বিষয়। রাজপ্রাসাদে হ্যারি ও মেগানের জীবন ও ক্যালিফর্নিয়ার বর্তমান জীবন, প্রায় সব কিছুই প্রকাশ হয়েছে এই ডকুমেন্টারিতে।

ব্রিটিশ রাজপরিবার নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই সাধারণ মানুষের। আর তাদের এই আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিতে নেটফ্লিক্স নিয়ে এসেছে হ্যারি অ্যান্ড মেগান শিরোনামে ওয়েব সিরিজ। যার জনপ্রিয়তা এরই মধ্যে আকাশ ছুঁয়েছে।

ব্রিটিশ রাজপরিবার বিষয়ক এই ডকুমেন্টারিতে বাকিংহাম প্যালেসের অসংখ্য গোপন কথা, দ্বন্দ্ব, কঠোর অনুশাসন এবং নিয়ম না মানলে কি হতে পারে এমন বিভিন্ন বিষয় খোলামেলা ভাবে তুলে ধরেছেন ডিউক অ্যান্ড ডাচেস অব সাসেক্স।

রাজপরিবারের সাথে খুব বেশি ভালো সম্পর্ক না থাকলেও সিরিজে মেগান অকপটে স্বীকার করেছেন প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সাথে তার সুসম্পর্কের কথা। বিয়ের পর রানিকে অনেকটা নিজের দাদীর মতো পেয়ে উচ্ছসিত ছিলেন মেগান।

মেগানের জনপ্রিয়তা অন্যান্য রাজদম্পত্তিদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় বলে উল্লেখ করেন হ্যারি। যেমনটা হয়েছিল তার মা প্রিন্সেস ডায়ানার সাথে। গণমাধ্যমের মেগান সম্পর্কে নেতিবাচক ও বর্ণবাদ খবর প্রচার ও এর প্রেক্ষিতে মেগানের আত্মহত্যার চিন্তা, প্রথম সন্তান আর্চির জন্ম নিয়ে বিতর্ক সহ বিভিন্ন প্রতিকূলতা তুলে ধরা হয়েছে ডকুমেন্টারিতে।

ছয় পর্বের ওয়েব সিরিজের শেষ তিন পর্ব মুক্তি পেয়েছে বৃহস্পতিবার। প্রথম তিন পর্বে হ্যারি মেগান জুটির সম্পর্কের শুরু থেকে রাজপরিবারে থাকা অবস্থায় নানান চড়াই উৎরাই, মেগানের প্রতি রাজপরিবারের পক্ষপাতমূলক আচরণসহ বিভিন্ন ইস্যু উঠে আসে। শেষ পর্বগুলোতে এসেছে হ্যারি মেগানের বাকিংহাম প্যালেস ছেড়ে ক্যালিফোর্নিয়ায় আসা পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের রূঢ় আচরণ।

তবে হ্যারির জন্য সবচেয়ে বড় ধাক্কা ছিল স্যান্ড্রিংহাম রয়্যাল প্যালেসে রাজা তৃতীয় চার্লস ও প্রিন্স অব ওয়েলসের দুর্ব্যবহার।

চিত্রজগত ডটকম/সিনেমা

সংশ্লিষ্ট সংবাদ