সোমবার, ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

সবকিছুর ওপরে তিনি আমার বন্ধু ছিলেন: রুনা লায়লা

চলে গেছেন ভারতের কিংবদন্তী সংগীতশিল্পী বাপ্পী লাহিড়ী। মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ৬৯ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বাপ্পী লাহিড়ীর প্রয়াণে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে শোক প্রকাশ করেছেন রুনা লায়লা।

রুনা লায়লা লিখেছেন, ‘অসীম প্রতিভাবান সুরকার এবং গায়ক বাপ্পী লাহিড়ীর মৃত্যুর খবর শুনে মর্মাহত এবং শোকাহত। তার সাথে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রের গান এবং মিউজিক অ্যালবামে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে যার মধ্যে একটি ছিল সুপার হিট অ্যালবাম সুপারুনা। পুরো বিশ্বজুড়ে অসংখ্য স্টেজ শো করেছি। সবকিছুর ওপরে তিনি আমার বন্ধু ছিলেন। মজার এবং কাছের মানুষ ছিলেন। এই প্রতিভাবানকে বিদায় জানানো কঠিন, যার জয় করার মতো আরও অনেক পাহাড় ছিল। গত কিছুদিনে লতা দিদি, সন্ধ্যা মুখার্জি দিদিকে বিদায় জানিয়েছি, এখন বাপ্পাজিকে। শোক প্রকাশ করার মতো পর্যাপ্ত শব্দ বা ঝরানোর মতো অশ্রু আমার নেই। স্তব্ধ, সহ্য করতে পারছি না…’

আশির দশকে ‘সুপারুনা’ অ্যালবামের কাজের সূত্রে রুনা লায়লার সঙ্গে বাপ্পী লাহিড়ীর পরিচয়। ১৯৮২ সালের সেই অ্যালবামটি রেকর্ড করা হয় লন্ডনের অ্যাবি রোড স্টুডিওতে, যেখানে বিখ্যাত ব্যান্ড বিটলস তাদের গান রেকর্ড করত। সেই তখন থেকে তাদের সম্পর্ক অটুট ছিল। পেশাগত কারণে সম্পর্কের শুরু হলেও অনেক রুনা লায়লার পারিবারিক বন্ধু হয়ে গিয়েছিলেন বাপ্পী লাহিড়ী।

এক মাস ভর্তি থাকার পর সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছিলেন বাপ্পী লাহিড়ী। কিন্তু মঙ্গলবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর আবার তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় চিকিৎসকের পরামর্শে।

দীর্ঘদিন ধরে নানারকম শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন বাপ্পী লাহিড়ী। হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার দীপক নামজোসি জানিয়েছেন, বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে ঘুমের মধ্যেই মৃত্যু হয় তার।

১৯৭০ থেকে আশির দশকে হিন্দি ছায়াছবির জগতে অন্যতম জনপ্রিয় নাম বাপ্পী লাহিড়ীর। ‘ডিস্কো ডান্সার’, ‘চলতে চলতে’, ‘শারাবি’-তে সুর দিয়েছেন। গেয়েছেন একাধিক গান। ২০২০ সালে বাগি-৩ এর জন্য শেষ সুর করেছেন তিনি।

চিত্রজগত/সঙ্গীত

সংশ্লিষ্ট সংবাদ