সোমবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী দিনের দর্শকপ্রিয় মুখের সুঅভিনেত্রী

রোজী আফসারী ৭৬ তম জন্মদিন আজ

তাজুদ্দিন আহমেদ- সৈয়দা জোহরা তাজুদ্দিনের মাঝে অলিভিয়া ও রোজী -- চিত্রজগত.কম

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী দিনের কথা মনে করলেই যার প্রিয় মুখটি চোখের সামনে ভেসে উঠে তিনি রোজী আফসারী। সিনেমার ‘সুবর্ণ যুগ’ খ্যাত সময়ের দাপুটে ও প্রভাবশালী নায়িকা ছিলেন তিনি। নানা চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়-শৈলীতে সবার মন জয় করেছিলেন কিংবদন্তি এই অভিনেত্রী। মিষ্টি হাসির অভিনেত্রী খ্যাত রোজী আফসারীর ৭৬ তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৯ সালের ২৩ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালী দিনের কথা মনে করলেই যার প্রিয় মুখটি চোখের সামনে ভেসে উঠে তিনি রোজী আফসারী। সিনেমার ‘সুবর্ণ যুগ’ খ্যাত সময়ের দাপুটে ও প্রভাবশালী নায়িকা ছিলেন তিনি। নানা চরিত্রে অসাধারণ অভিনয়-শৈলীতে সবার মন জয় করেছিলেন কিংবদন্তি এই অভিনেত্রী। মিষ্টি হাসির অভিনেত্রী খ্যাত রোজী আফসারীর ৭৬ তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৯ সালের ২৩ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

প্রকৃত নাম শামীমা আক্তার রোজী হলেও এক সময় রোজী সামাদ নামেই পরিচিত ছিলেন গুণী এই অভিনেত্রী। পরবর্তীতে নিজের নামের শেষে স্বামী মালেক আফসারীর নামের শেষাংশ ব্যবহার করেন। সেই থেকে তার নাম হয়ে উঠে রোজী আফসারী। ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘সূর্য সংগ্রাম’, ‘সূর্য গ্রহণ’, ‘অশিক্ষিত’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’সহ অসংখ্য কালজয়ী সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

১৯৬২ সালে আব্দুল জব্বার খান পরিচালিত জোয়ার এলো দিয়ে শুরু তার সিনেমায় কাজ করা। তবে প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত আলোর মিছিল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে। প্রায় ৪ দশক ধরে তিনি প্রায় ৩৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এর মধ্যে পাকিস্তানের ‘জাগো হুয়া সাবেরা’, ‘পুনম কি রাত’সহ প্রায় ২৫টি উর্দু ছবি রয়েছে।

বাংলা চলচিত্রের পদচারণা ১৯৫৬ সালে হলেও একজন নারী পরিচালক পেতে ইন্ডাস্ট্রিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে বহু বছর। ১৯৮৬ সালে আমরা পেলাম প্রথম নারী পরিচালক রোজী আফসারী। সে বছর রোজীর পরিচালনায় মুক্তি পায় আশা নিরাশা। চলচ্চিত্রটির কাহিনি, সংলাপ ও চিত্রনাট্য রচনা করেন মালেক আফসারী। সম্পূর্ণ রঙিন এই চলচ্চিত্রটির পোস্টারে বড় বড় লাল অক্ষরে লেখা ছিল- বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পরিচালকের সাহসী ছবি। সাথে ক্যামেরায়
প্রকৃত নাম শামীমা আক্তার রোজী হলেও এক সময় রোজী সামাদ নামেই পরিচিত ছিলেন গুণী এই অভিনেত্রী। পরবর্তীতে নিজের নামের শেষে স্বামী মালেক আফসারীর নামের শেষাংশ ব্যবহার করেন। সেই থেকে তার নাম হয়ে উঠে রোজী আফসারী। ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘সূর্য সংগ্রাম’, ‘সূর্য গ্রহণ’, ‘অশিক্ষিত’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’সহ অসংখ্য কালজয়ী সিনেমায় অভিনয় করেছেন।

১৯৬২ সালে আব্দুল জব্বার খান পরিচালিত জোয়ার এলো দিয়ে শুরু তার সিনেমায় কাজ করা। তবে প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত আলোর মিছিল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে। প্রায় ৪ দশক ধরে তিনি প্রায় ৩৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এর মধ্যে পাকিস্তানের ‘জাগো হুয়া সাবেরা’, ‘পুনম কি রাত’সহ প্রায় ২৫টি উর্দু ছবি রয়েছে।

বাংলা চলচিত্রের পদচারণা ১৯৫৬ সালে হলেও একজন নারী পরিচালক পেতে ইন্ডাস্ট্রিকে অপেক্ষা করতে হয়েছে বহু বছর। ১৯৮৬ সালে আমরা পেলাম প্রথম নারী পরিচালক রোজী আফসারী। সে বছর রোজীর পরিচালনায় মুক্তি পায় আশা নিরাশা। চলচ্চিত্রটির কাহিনি, সংলাপ ও চিত্রনাট্য রচনা করেন মালেক আফসারী। সম্পূর্ণ রঙিন এই চলচ্চিত্রটির পোস্টারে বড় বড় লাল অক্ষরে লেখা ছিল- বাংলাদেশের প্রথম মহিলা পরিচালকের সাহসী ছবি। সাথে ক্যামেরায় চোখ লাগানো রোজীর একটি ছবিও ব্যবহার করা হয়।

চলচ্চিত্রে অনবদ্য ভূমিকার জন্য পাঁচবার জহির রায়হান পদক, পাকিস্তানের সর্বোচ্চ পুরস্কার `নিগার`সহ দেশি-বিদেশি প্রায় ৫০টি পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। ১৯৭৫ সালে `লাঠিয়াল` ছবিতে অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন রোজী আফসারী। এছাড়া তিনি কয়েকটি ছবিতে নৃত্য পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন। লন্ডন, সুইডেন, মিসর, সিরিয়া, কানাডা, পাকিস্তান, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন রোজী আফসারী।

১৯৮১ সালে চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক মালেক আফসারীকে বিয়ে করেন রোজী। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে তিনি ‘এ’ লেভেল শেষ করে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেছিলেন।তার দুই সন্তান। ছেলে রবি আফসারী ও মেয়ে কবিতা সামাদ। শেষ জীবনে মেয়ে কবিতা সামাদের সাথে আবাসিক প্রকল্পের এক বিজ্ঞাপন চিত্রে ও অভিনয় করেন গুণী এই অভিনেত্রী। ২০০৭ সালের ৯ মার্চ ৫৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
তথ্যসূত্র: মুজতবা সউদ

চিত্রজগত/চলচ্চিত্র

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়