শুক্রবার, ১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

বাংলালিংকের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিল নগর বাউল ও মাইলস

অনুমতি ছাড়া গান ব্যবহারের অভিযোগে মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে করা মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছে ব্যান্ড দল ‘নগর বাউল’ ও ‘মাইলস’।

নগর বাউলের জেমস এবং মাইলসের হামিন আহমেদ আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মে) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করেন। শুনানির সময় মাইলসের মানাম আহমেদ আদালতকে বলেন, “ভুল বোঝাবুঝি থেকে মামলাটি করা হয়েছিল। এখন আর মামলা পরিচালনা করতে চাচ্ছি না।”

এ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি তাপস পাল জানান, বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস, প্রধান কমপ্লায়েন্স অফিসার এম নুরুল আলম, প্রধান করপোরেট রেগুলেটরি অফিসার তৈমুর রহমান ও হেড অব ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস অনিক ধর এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ মামলায় আগে থেকেই জামিনে ছিলেন তারা।
তাদের আইনজীবী মো. মতিউর রহমান বলেন, “বাদীরা স্বেচ্ছায় মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেছে।”

গত বছরের ১০ নভেম্বর বাংলালিংকের ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে দুটি মামলা করেন নগর বাউলের জেমস এবং মাইলসের হামিন আহমেদ। তবে বাংলালিংকের প্রধান ডিজিটাল কর্মকর্তা সঞ্জয় ভাগাসিয়া স্থায়ীভাবে বিদেশে চলে যাওয়ায় বাদীপক্ষ আসামির তালিকা থেকে তার নাম বাদ দেয়।

মামলায় মানাম ও হামিন অভিযোগ করেন, তাদের লেখা ও সুর করা ‘নীলা’ ও ‘ফিরিয়ে দাও’ গান দুটি বাংলালিংক অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করে কোটি কোটি টাকা আয় করে আসছে। এতে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

অন্যদিকে জেমসও তার গাওয়া ‘দুঃখিনী দুঃখ করোনা’, ‘জিকির’, ‘লুটপাট’, ‘সুম্মিতা’, ও যার যার ধর্ম গান সম্পর্কেও একই ধরনের অভিযোগ করেন।

আজ বৃহস্পতিবার এ মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার বদলে বাদীপক্ষ মামলা তুলে নেওয়ার আবেদন করে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী বাহারুল ইসলাম গতবছর ডিসেম্বরে বলেছিলেন, মামলা নিয়ে আপসের কথাবার্তা চলছে। জেমস ও মাইলস ৫ কোটি করে ১০ কোটি টাকা চেয়েছেন। সেই রফাতেই মামলা তোলা হল কি না- সে বিষয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে কিছু বলেননি তারা।

চিত্রজগত/আইন ও বিচার

সংশ্লিষ্ট সংবাদ