বৃহস্পতিবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

ফ্যাশন ডিজাইনার আনিস এর জন্মদিন আজ

চিত্রজগত ফটো -- চিত্রজগত.কম

আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশী ফ্যাশন ডিজাইনার আনিসুজ্জামান আনিস-এর জন্মদিন আজ। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ডিজাইনার ও ফ্যাশন হাউজ স্টাইলপার্ক এর প্রতিষ্ঠাতা আনিসুজ্জামান আনিস বাংলাদেশের কলাপাড়ায় জন্মগ্রহন করেন। তিনি প্রয়াত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত মোয়াজ্জেম হোসেন (পটুয়াখালী-৪ কলাপাড়া) এর জ্যেষ্ঠ পুত্র।

আনিসুজ্জামান আনিস বাংলাদেশের ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তার গড়া ফ্যাশন হাউজ স্টাইলপার্ক বর্তমানে দেশের প্রসিদ্ধ একটি ফ্যাশন হাউজ। গেলো তিন বছর ধরে আমেরিকার বিভিন্ন স্টেটে তার ফ্যাশন হাউজের পোশাক রপ্তানি করছেন। সেখানে তিনি স্টাইলপার্ক এর শাখাও প্রতিষ্ঠা করেছেন। ফ্যাশন ডিজাইনিং এর বাইরে তিনি টিভি নাটক প্রযোজনা ও অভিনয়ের সঙ্গেও যুক্ত আছেন। বর্তমানে তিনি আমেরিকা–বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র প্রযোজনার পরিকল্পনা করছেন।

একজন ফ্যাশন ডিজাইনার ও ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার হিসেবে আনিস দেশে বিদেশে অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- চিত্রজগত অ্যাওয়ার্ড, ডিসিআরইউ শোবিজ অ্যাওয়ার্ড, বাবিসাস পুরস্কার, বিনোদন ধারা অ্যাওয়ার্ড, এবং আমেরিকার এনআরবি অ্যাওয়ার্ড।

প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, পুরস্কার একজন মানুষের পেশাগত কাজে অনুপ্রেরণা দিয়ে তার কর্ম দক্ষতা বাড়িয়ে দেয়। আমি মনে করি, এসব পুরস্কার আমার পেশাগত কাজকে যেমন স্বীকৃতি দিয়েছে, তেমনি আমাকে ব্যাক্তিগত ভাবে সম্মান জানিয়েছে। যারা আমার মেধা প্রতিভার স্বীকৃতি জানিয়ে আমাকে সম্মানিত করেছে, আমি তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এসব সম্মানজনক পুরস্কার আমার আগামীর দিনগুলোতে আমাকে পেশাগত কাজের স্পৃহা আরও বাডড়য়ে তুলবে বলেই আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি।

আনিস বলেন, ফ্যাশন ডিজাইন কিম্বা নাটক প্রযোজনার বাইরে চলচ্চিত্রের প্রতি, চলচ্চিত্রের মানুষের প্রতি আমার অসম্ভব রকম ভালোবাসা রয়েছে। তাই তো আবারও আমি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করার পরিকল্পনা করেছি। ইচ্ছে আছে আমেরিকা–বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় আন্তর্জাতিক মানের একটি বাংলাদেশী ছবি নির্মাণ করার। ব্যয়বহুল এই ছবিটি নির্মাণের প্রাথমিক প্রস্তুতি আমার কমপ্লিট। আমেরিকার কয়েকজন লগ্নিকারকের সঙ্গে আমার প্রাথমিক আলাপ হয়েছে। এবার গিয়ে তাদের সঙ্গে আবার মিটিং করবো আমার এই স্বপ্নের প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্যে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের মাঝামাঝি আমি ছবিটির নির্মাণ কাজ শুরু করতে পারবো। অন্যদিকে আমেরিকায় বাংলাদেশী চলচ্চিত্র রপ্তানী করার বিষয় নিয়েও আমার পরিকল্পনা রয়েছে। সেটিও এবার গিয়ে ফাইনাল করবো।

চিত্রজগত ডটকম/ফ্যাশন

সংশ্লিষ্ট সংবাদ