বৃহস্পতিবার, ২৩শে মার্চ, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

জাতীয় কবি কাজী নজরুলের ১২৩ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩ তম জন্মবার্ষিকী আজ।

দিবসটি উপলক্ষে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সকাল সাড়ে ৬টায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামানসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা।

পরে তারা সূরা ফাতেহা পাঠ করেন। এছাড়াও সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কবি পরিবারের সদস্যরা। শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। এসময় তিনি জাতীয় জীবনে কবি নজরুল ইসলামের নানা অবদান তুলে ধরেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পক্ষ থেকেও সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এদিকে, কবির জন্মদিন উপলক্ষে দিনব্যাপী দেশজুড়ে নানা আয়োজন করা হয়েছে। সকালে কবির সমাধি প্রাঙ্গণে স্মরণ সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এছাড়া বিকেলে ছায়ানট, শিল্পকলার মুক্ত মঞ্চে ও নজরুল ইন্সটিটিউটে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন হচ্ছে স্মৃতি বিজড়িত কুমিল্লা, ময়মনসিংহ সহ কয়েকটি জেলায়। রাজধানীর নজরুল ইন্সটিউটেও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। এই দিনে, নজরুল চর্চা ও সৃষ্টিকর্ম সংরক্ষণে তৎপরতা বাড়ানোর তাগিদ গবেষকদের।

অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্রোহের আগুন জ্বালালেও প্রেমময় নজরুল হিমালয়ের মতোই শুভ্র। তাইতো তিনি দ্রোহ ও প্রেমের কবি। বাংলা সাহিত্যের গতিপথ পাল্টে বিদ্রোহ-প্রতিবাদ-প্রতিরোধের ধারা তৈরি করেন তিনিই। সাম্য, মানবতার বাণীও স্পষ্ট নজরুলের সাহিত্যকর্মে।

ইসলামি সঙ্গীত বা গজল এর জন্মদাতা নজরুল। তিন হাজারের ওপর গান রচনা ও সুর করেছেন। গবেষকরা বলছেন, অস্থির বিশ্বে নজরুলের গানই তৈরি করতে পারে অসাম্প্রদায়িক সমাজ।

নজরুলের জন্মদিনকে এক দিনের উৎসবে আটকে ফেলতে নারাজ তার উত্তরাধিকার। আরো বর্ণাঢ্য আয়োজন চান তারা।

জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে সাহিত্যকর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন হন কাজী নজরুল ইসলাম। ১৯৭৬ সালে একুশে পদক পান তিনি। ঐ বছরের ২৯ আগস্ট চলে যান না ফেরার দেশে।

চিত্রজগত/শিল্প ও সাহিত্য

সংশ্লিষ্ট সংবাদ