সোমবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

উপস্থাপনায়ই বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করেন মারিয়া নূর

জনপ্রিয় মডেল ও উপস্থাপিকা মারিয়া নূর সম্প্রতি ‘হেরে যাবার গল্প’ ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। দর্শকদের মন কেড়ে নেয়া এই উপস্থাপক এক ছবিতেই তাদের স্বপ্নের নায়িকায় পরিণত হয়েছেন। দর্শকদের চাহিদা তিনি যেনো অভিনয়ে মনোযোগী হন। তবে একজন শিল্পী শুধুমাত্র দর্শক চাহিদার উপরই নিজের ক্রিয়া-কর্ম পরিচালনা করেন না, নিজের ব্যক্তিগত ইচ্ছ-অনিচ্ছারও কিছু বিশয় থাকে। সম্প্রতি এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলাপচারিতার কিয়দাংশ তুলে ধরা হলো-

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জি-ফাইভে আপনার অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ‘হেরে যাবার গল্প’ মুক্তির পর দর্শকদের প্রতিক্রিয়া কেমন?
খুব ভালো সাড়া পেয়েছি। অনেকেই ‘হেরে যাবার গল্প’ দেখার পর তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্ডিয়ার অনেক দর্শক এটি দেখার পর প্রশংসা করেছেন। দর্শকদের এমন সাড়া সামনের কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা জোগাবে।

কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
টিভির কাজ থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কাজটা আলাদা। কিছুটা প্রেসার নিয়ে কাজ করতে হয়েছে এখানে। পরিচালক জনি ভাইয়ের সঙ্গে এটি আমার প্রথম কাজ। শ্যামল ভাইয়ের সঙ্গেও আমার প্রথম। এটি খুব চমৎকার একটা গল্প। হেরে যাবার গল্প নাম হলেও এটা আসলে বাঁচতে শেখার গল্প। সবকিছুই মিলিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা ভালো ছিল।

দীর্ঘদিন টিভি শো উপস্থাপনা থেকে দূরে থাকার কারণ কী?
আমি কখনোই নিয়মিত শো করতাম না। আমি বাছাই করে কাজ করেছি। গড়পড়তা শো আমি করিনি। আমাকে যে কারণে বেশি দেখা যেত সেটি হচ্ছে ক্রিকেট শো। গত কয়েক বছর ক্রিকেট শো থেকে দূরে আছি সেটির কারণ হলো বাজেট। আগে যে বাজেটে শো উপস্থাপনা করেছি এখন তার চেয়ে অনেক বেশি কমিয়ে দিয়েছে। আমি যে জায়গাটা তৈরি করেছি সেখান থেকে আবার কমিয়ে তো কাজ করা সম্ভব না।

এখন থেকে নিয়মিত অভিনয় করবেন?
নিয়মিত বলতে আমি সব সময় বেছে বেছে অভিনয় করতে চাই। অল্প কাজ করতে চাই। মাসে ১৫-২০ দিন অভিনয় করা সেটি আমাকে দিয়ে হবে না। এটা আমি কখনই করতে পারব না।

উপস্থাপনা নাকি অভিনয় কোনটা বেশি ইনজয় করেন?
উপস্থাপনা বেশি উপভোগ করি। উপস্থাপনা আমার প্রথম অগ্রাধিকার তারপর অভিনয়।

কেউ যদি উপস্থাপনাকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চায় সেক্ষেত্রে আপনার পরামর্শ কি থাকবে?
নিজস্বতা বজায় রাখা। অন্যকে কপি না করা। যদি কেউ আঞ্চলিক বাসায় কথা বলে তাহলে সে ভাষাতেই তাকে কমফোর্টেবল হতে হবে। যে ধরনের শো করা হোক না কেন সেটি নিয়ে অবশ্যই ভালো করে রিসার্চ করতে হবে। সেন্স অব হিউমার ভালো হতে হবে, সেই সঙ্গে জেনারেল নলেজ সম্পর্কে আইডিয়া রাখতে হবে। ক্রিকেট কিংবা ফুটবলের শোর ক্ষেত্রে খেলার পরিসংখ্যান জানা আব্যশক। প্রতিটি প্লেয়ার সম্পর্কে জানা থাকতে হবে, প্লেয়ারদের নামের উচ্চরণ সঠিকভাবে বলতে হবে। ভুল বলা হলে তাদের অসম্মানী করা হবে এবং সেটি নিয়ে দর্শকরাও হাসাহাসিও করতে পারে। এসব ছোটখাটো বিষয়ে ভালো করে রিসার্চ করে এবং স্পোর্টসের যে নাম করা শোগুলো আছে সেগুলো দেখে তবেই যেন উপস্থাপনা করা হয়। সেটি যদি সেলিব্রেটি টকশো হয় সেক্ষেত্রে যিনি অতিথি হিসেবে থাকবেন তার সম্পর্কে ভালোভাবে জানা, তার ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ভালোভাবে জানা, সে কিভাবে কথা বলতে পছন্দ করে- এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কনফিডেন্স।

আপনার পছন্দের কেউ আছেন। যার ব্যক্তিত্ব ভালো লাগে?
সুবর্ণা মোস্তফা ম্যামের ব্যক্তিত্ব এবং হুমায়ূন ফরীদি স্যার এই দুজন প্রিয় মানুষের ব্যক্তিত্ব আমাকে খুব আকৃষ্ট করে।

ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা কীভাবে তৈরি হলো?
ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি একটা টান ছিল। টিভিতে নিয়মিত খেলা দেখতাম।

অবসরে কি করা হয়?
অনেক বেশি গান শোনা হয়। মুভি দেখা হয়, টিভি সিরিজ দেখা হয়।

চিত্রজগত/কথোপকথন

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়