রবিবার, ১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

ইতিহাস নির্ভর চলচ্চিত্র, ‘মারাক্কার: লায়ন অব দ্য অ্যারাবিয়ান সি’

মালয়ালি সুপারস্টার মোহনলাল ‘প্রিয়দর্শন’র সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। তারা আসছেন ‘মারাক্কার’ সিনেমা নিয়ে যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল সেই ১৯৯৬ সালে। চিত্রনাট্য লেখেন দামোদরণ।

শোনা যায়, ১৯৯৯ সালে একবার সিনেমাটি তৈরির জন্য প্রযোজক পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন প্রিয়দর্শন। বিগ বাজেটের সিনেমার জন্য অর্থলগ্নি করতে কেউ তখন রাজি হননি। পরে আবার ২০১৭ সালে নতুনভাবে চিত্রনাট্য লিখে ড্রাফট করা হয়। সেবছরই শুটিং শুরু হয় রামোজি ফিল্ম সিটিতে। আর শেষ হয় ২০১৯ সালের মার্চ মাসে।

অবশেষে তৈরি হয়েছে ১০০ কোটি টাকার সিনেমা ‘মারাক্কার: লায়ন অব দ্য অ্যারাবিয়ান সি’। সিনেমাটি মূলত কালিকট উপকূলে পর্তুগিজ ব্যবসায়ীদের আক্রমণের সময়কার গল্প নিয়ে। সিনেমার ভিজ্যুয়াল এফেক্টের দায়িত্ব সামলেছেন সাবু শিরিন। ২০২০ সালের মার্চ মাসে সিনেমাটির মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিডের কারণে তা মুক্তি পেল ২০২১ সালের ২ ডিসেম্বর। এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতির স্বর্ণপদক জিতে নিয়েছে ‘মারাক্কার’।

ইতিহাসের এক সত্যি ঘটনাকে কল্পনা ও ফিকশনের চেহারা দিয়ে চিত্রনাট্য সাজিয়েছেন পরিচালক প্রিয়দর্শন এবং আনি সাসি। প্রধান চরিত্র ‘কুঞ্জলি মারাক্কার’ ধর্মে মুসলিম। কিন্তু জামোরিনের হিন্দু রাজা সোমার্থি কুঞ্জলিকেই তার নৌবাহিনীর প্রধান করেন। মারাক্কারের সাহস, বীরত্ব এবং মানবিকতার কাহিনী সারা রাজ্যজুড়ে।

ব্যবসায়ীর ছদ্মবেশে আসা পর্তুগিজ জলদস্যুদের রুখতে মারাক্কারই যে একমাত্র ভরসা তা নিয়ে দ্বিমত ছিল না হিন্দু রাজারও। কিন্তু মন্ত্রী-আমাত্যদের মধ্যে বিরোধ থাকবেই, থাকবে রেষারেষি , তা-ই চিত্রনাট্যে যথাযথ জায়গা পেয়েছে। এছাড়াও রাখতে হয়েছে প্রেমের দৃশ্য। হয়তো এগুলো সবই বাস্তব ও কল্পনার মিশেল। এসব নিয়ে জমজমাট এক সিনেমা হয়ে উঠেছে ‘মারাক্কার’।

মারাক্কারকে যথেষ্ট অ্যাকশন নায়ক করে তুলেছেন বিশাল চেহারার মোহনলাল। সঙ্গে আলো ছড়াচ্ছেন সুনীল শেঠি বা নেদুমুদি ভেনু, প্রভু বা চিনা শিল্পী চিয়াংরা। সিনেমাটি ক্রমেই ভারতের দর্শকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আশা করা হচ্ছে ব্যবসা করে বাজিমাত করে দেবে ‘মারাক্কার’।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ