বৃহস্পতিবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

আজ ত্রিশ বছর চিত্রনায়ক জাফর ইকবাল নেই

চিত্রনায়ক জাফর ইকবাল নেই আজ ত্রিশ বছর। ১৯৯২ সালের ৮ই জানুয়ারি তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও এ দেশের সিনেমাপ্রেমী মানুষের কাছে আজও স্মরণীয়, শ্রদ্ধেয় তিনি।

চিরতরুণ এই নায়কের মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএফডিসিতে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয়েছে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের।

১৯৫০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার গুলশানে জন্মেছিলেন জাফর ইকবাল। বাড়িতে গান-বাজনার রেওয়াজ ছিল। তার বোন শাহানাজ রহমতুল্লাহ একজন সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী। বড় ভাই আনোয়ার পারভেজও নামকরা সংগীতজ্ঞ। তিনি ছিলেন সংগীত পরিচালক। ভাই ও বোনের মতো জাফর ইকবালও প্রথমে গানের ভুবনেই যাত্রা করেছিলেন গায়ক হিসেবে।

জাফর ইকবার নায়ক হিসেবে পরিচিতি পেলেও একজন সঙ্গীত শিল্পীই ছিলেন। বাড়িতে গানবাজনার রেওয়াজ ছিল বলেই তার সঙ্গীতশিল্পী হয়ে উঠা। তার বোন শাহানাজ রহমতুল্লাহ একজন সুপরিচিত কণ্ঠশিল্পী। বড় ভাই আনোয়ার পারভেজও নামকরা শিল্পী। জাফর ইকবাল প্রথমে গায়ক হিসেবেই পরিচিতি পান। ছিল নিজের ব্যান্ডদল। যে ব্যান্ডদল ১৯৬৬ সালে গড়ে তুলেছিলেন।

নায়ক হিসেবে জাফর ইকবলের সিনেমায় অভিষেক হয় ১৯৬৯ সালে। প্রথম সিনেমাটিতে তার নায়িকা ছিলেন কবরী। সিনেমার নাম ‘আপন পর’। ছবিটি খান আতাউর রহমান পরিচালনা করেছিলেন। ছবিটির ‘যা রে যাবি যদি যা’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়।

জাফর ইকবাল সর্বমোট ১৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন জাফর ইকবাল। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমা হলো- অবুঝ হৃদয়, ভাই বন্ধু, অবদান, প্রেমিক, সাধারণ মেয়ে, ফকির মজনু শাহ, দিনের পর দিন, বেদ্বীন, অংশীদার, মেঘ বিজলী বাদল, নয়নের আলো, সাত রাজার ধন, আশীর্বাদ, অপমান, এক মুঠো ভাত, গৃহলক্ষ্মী, ওগো বিদেশিনী, প্রেমিক, নবাব, প্রতিরোধ, ফুলের মালা, সিআইডি, মর্যাদা, সন্ধি, বন্ধু আমার, উসিলা ইত্যাদি।

চিত্রজগত ডটকম/স্মরণীয় বরণীয়

সংশ্লিষ্ট সংবাদ